Please wait...

বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মারকায প্রাপ্তির শর্তাবলী

তারিখে প্রকাশিত হয়েছে।
বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মারকায প্রাপ্তির শর্তাবলী

১. মারকাযের প্রয়োজনীয়তা,পরীক্ষার্থী সংখ্যা ইত্যাদি উল্লেখ করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবরে দরখাস্ত লিখতে হবে। মাদরাসার প্যাডে মুহতামিমের সিল স্বাক্ষর সহ একটি আবেদন পেশ করতে হবে।
২. মারকাযের আবেদনকারী মাদরাসা বেফাকে ইলহাক হওয়ার পর একাধিক বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা প্রাথমিক শর্ত।
৩. পার্শ্ববর্তী মাদরাসা সমূহ যদি আপনার মারকাযের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে আগ্রহী হয় তাহলে ঐ মাদরাসার সম্মতিপত্র সীল মোহর সহ আবেদন পত্রের সাথে অবশ্যই দাখিল করতে হবে।
৪. পূর্ববর্তী মারকাযের অনাপত্তিপত্র দাখিল করতে হবে। এবং নিকটবর্তী মারকাযের ক্ষতি বা ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন না হয় এমন হতে হবে।
৫. মাদরাসা কমিটির মারকায আবেদন সম্বলিত রেজুলেশনের ফটোকপি জমা দিতে হবে।
৬. বেফাকের জেলা সংগঠনের সভাপতির ‘সম্মতি-অনুমোদন’ থাকতে হবে। জেলা সংগঠন না থাকলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকের ‘সম্মতি-অনুমোদন’ পত্র থাকতে হবে।
৭. যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ হলে মারকায মঞ্জুরী দেয়া যাবে না। মাদরাসায় ফোন/মোবাইলের সুব্যবস্থা থাকতে হবে।
৮. পরীক্ষার্থী সংখ্যা (পুরুষ) ঃ দরসিয়াতের জন্য ঢাকা মহানগরী ১৭৫জন, ঢাকা মফস্বল ও জেলা শহর ১০০জন এবং মফস্বল ৭৫জন। (মহিলা) ঃ ঢাকা মহানগরী ১০০জন, ঢাকা মফস্বল ও জেলা শহর ৭৫জন এবং মফস্বল ৫০জন । তাহফীযুল কুরআন ও ‘ইলমুত তাজবীদ ওয়াল ক্বিরাআত মারকাযের জন্য ৩০ জন করে পরীক্ষার্থী হতে হবে। সকল স্তরে মারকাযওয়ালা মাদরাসার নিজস্ব পরীক্ষার্থী সংখ্যা অবশ্যই এক তৃতীয়াংশ হতে হবে।
৯. নতুন মারকায মঞ্জুরীর জন্য বেফাকের যাবতীয় বকেয়া পরিশোধ থাকতে হবে।
১০. বেফাকের প্রকাশিত পুস্তক মাদরাসায় পড়াতে হবে।
১১. আবেদনকৃত মারকায এবং পার্শ্ববর্তী মারকাযের দূরত্ব কতটুকু তা স্পষ্টভাবে লিখতে হবে।

 

মারকায সমূহের পালনীয় কর্তব্য

১. পরীক্ষার্থীর সংখ্যা পরিমাণ উপযোগী হল এবং প্রয়োজনীয় মানসম্মত তেপায়া থাকতে হবে।
২. বহিরাগত পরীক্ষার্থী, ওস্তাদ ও অভিভাবকদের থাকা খাওয়ার সুব্যবস্থা থাকতে হবে।
৩. হলের নিকটবর্তী স্থানে পেশাব-পায়খানার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৪. পরীক্ষার যাবতীয় কাগজপত্র হিফাযতের জন্য আলাদা কামরা ও স্বতন্ত্র তালা-চাবিযুক্ত আলমারীর ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৫. পরীক্ষার কেন্দ্রের জরুরী কাজের জন্য মাদরাসার পক্ষ থেকে খাদেমের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
৬. বেফাকের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার হল পৃথক হতে হবে। মাদরাসার পরীক্ষা বেফাকের পরীক্ষার সাথে একই হলে গ্রহণ করা যাবে না।
৭. মারকাযের সামগ্রিক শৃঙ্খলা বিধানের লক্ষ্যে প্রতি মারকাযে একটি মারকায কমিটি গঠন করতে হবে।
৮. মারকায কমিটি গঠন পদ্ধতি : মারকাযওয়ালা মাদরাসার মুহতামিম ও উচ্চস্তরের একজন শিক্ষক এবং মাদরাসা কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক সহ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মাদরাসাসমূহ হতে একজন করে সদস্য নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। যদি মারকায মাদরাসা ব্যতীত অন্য কোন মাদরাসা না থাকে তবে সংশ্লিষ্ট মাদরাসার মুহতামিম, কমিটির সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক এবং উক্ত মাদরাসার উচ্চস্তরের প্রভাবশালী শিক্ষক সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। উক্ত কমিটির সভাপতি হবেন মারকায মাদরাসার মুহতামিম।
৯. সকল বিধিমালা বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা জ্ঞাপন করে মারকাযওয়ালা মাদরাসার মুহতামিমের পক্ষ থেকে একটি অঙ্গীকার পত্র দিতে হবে।
১০. নতুন মারকাযের আবেদনের প্রেক্ষিতে মঞ্জুরীকৃত মারকাযকে সাময়িক মারকায বলা হবে। এ ‘সাময়িক মারকায’ ধারাবাহিক শর্ত পূরণ ও পালনীয় কর্তব্যসমূহসহ পর পর তিন বছর চলমান থাকলে এবং নেগরানে আ’লার বাস্তব প্রতিবেদনে কোনরূপ খারাপ রিপোর্ট না থাকলে তাকে স্থায়ী মারকায হিসাবে মঞ্জুরী দেয়া হবে। মারকাযের জন্য নির্ধারিত ফি আদায় পূর্বক মারকায মঞ্জুরী দেয়া হবে।
১১. বিগত ৭/৮/১৮ঈ: তারিখের ইমতিহান কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত মুতাবিক সাময়িক (দরসিয়াত) মারকায ও স্থায়ী (পুরুষ-মহিলা) মারকায মঞ্জুরীর ফি, ঢাকা মহানগর ২৪০০০/- ঢাকা মফস্বল ও জেলা শহর ১৫,০০০/- এবং মফস্বল এলাকায় ৯,০০০/- এক কালিন প্রদান করতে হবে। তাহফীযুল কুরআন ও ইলমুল তাজবীদ ওয়াল ক্বিরাআত মারকায মঞ্জুরীর ফি সকল ক্ষেত্রে ৯,০০০/- এক কালিন প্রদান করতে হবে।
১২. প্রথমে সাময়িক মারকায মঞ্জুরী দেয়া হবে। লাগাতার কমপক্ষে তিন বছর মারকায থাকার পর শর্তপুরণ সাপেক্ষে স্থায়ী করা হয়।
১৩. সাময়িক মারকাযের অনুমোদন ৩ বছরের জন্য কার্যকর থাকে। তিন বছরের পর মারকায মাদরাসা শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে মারকায বাতিল হয়ে যাবে।
১৪. মারকায আবেদনকারী মাদরাসা সানাবিয়া বা তার উপরের মারহালার ইলহাকভূক্ত ও পরীক্ষা দেয়া শর্ত।
১৫. মহিলা মারকায আবেদনের ক্ষেত্রে ১জন পুরুষ এবং ২/৩/৪ জন (অবস্থাভেদে) মহিলা নেগরানের তালিকা জমা দেয়া আবশ্যক।

বাংলা